watch sexy videos at nza-vids!
১।
- গরুর চামড়া, হরিনের চামড়া, বাঘের চামড়া সবই তো দেখেছিন। হাতির চামড়া দেখেছিস ?
- হ্যা।
- কোথায় ?
- কেন চিড়িয়াখানায়। হাতির গায়ে।
২।
ইলিশ ফ্যাশন^
শিক্ষক : তোমাকে বলেছি গরু রচনা লিখতে আর তুমি লিখেছ রতন। এটা কিহল ?
ছাত্র : স্যার আপনি গতকাল রতনকে গরু বলেছেন। সেজন্যই এই গরু সম্পর্কে রচনা লিখেছি।
৩।
এক আত্মভোলা প্রফেসর একদিন ক্লাসে এসে বললেন, আজকে আমি তোমাদের ব্যাঙ সম্বন্ধে পড়াব। এই দেখ, আমি একটা ব্যাঙ নিয়ে এসেছি।
ছাত্রদের কয়েকজন একসাথে বলে উঠল, ব্যাঙ কোথায় স্যার? ওটা তোআলুর চপ।
প্রফেসর অবাক হয়ে বললেন, তাহলে সকালে আমি নাশতা করলাম কী দিয়ে?
৪।
প্রচন্ড গরমের দিনে বনের মধ্যে বেড়াতে গেছে দুই বন্ধু। গরমে সমস্ত জামাকাপড় খুলে ফেলেছে। হাটতে হাটতে একসময় চোখে পড়ল একটা সাইনবোর্ড, ‘‌বিপদজনক। ভালুক থেকে সাবধান।’
একজন খুলে রাখা জুতা পায়ে দিল।
‘ব্যাপার কি ? জুতা পায়ে দাও কেন ?’ প্রশ্ন করল আরেকজন, ‘‌তুমিকি দৌড়ে ভালুককে হারাতে পারবে?’
‌’আসলে, ঠিক ভালুককে না। তোমাকে হারাতে পারলেই চলবে।’ উত্তর দিল সে।
৫।
যৌতুকের মটর বাইক^
- এই রিক্সা তাড়াতাড়ি যাও। নয়ত ট্রেন ধরতে পারব না।
- অতবড় ট্রেনডা ধরবেন ক্যামনে ?
- আহহা। বলেছি দেরি করলে আমার ট্রেন চলে যাবে।
- কি কইলেন ? আপনের ট্রেন? আপনে ট্রেন চালু করলেন কবে ?
৬।
যৌতুকের ঘোড়া^
শিক্ষক চুলের যত্ন নেয়া সম্পর্কে পড়াচ্ছেন। ছাত্রদের বলছেন কিভাবে যত্ন নিলে চুল উঠে যাবে না। একজন ছাত্র জিজ্ঞেস করল, স্যার আপনার মাথায় টাক পড়ল কিভাবে ?
শিক্ষক রেগে গিয়ে ছাত্রের চুল টেনে ধরলেন, বেয়াদপ।
ছাত্র তাড়াতাড়ি বলল, স্যার। এভাবে প্রাকটিক্যাল না দেখিয়ে থিওরি বললেই হত।
৭।
- কিরে, তুই নাকি স-কে হ বলিশ। কথায় কথা গালি দিস ?
- কোন হালায় কইছে ?
৮।
জানা যায় বিশ্বের সংক্ষিপ্ততম চিঠি লিখেছিলেন মার্ক টোয়েন তার প্রকাশকের কাছে। তাতে লেখা ছিল “?’, অর্থাৎ অবস্থা কি।
প্রকাশকের উত্তরও ছিল সংক্ষিপ্ত। “!”
বাংলা ভাষায় সংক্ষিপ্তচিঠির যা খোজ পাওয়া যায় তা মেসে বসবাস করা ছাত্র এবং তার পিতার মধ্যে।
পুত্রের চিঠি, ‌”টাকা চাই। ইতি কানাই।”
পিতার উত্তর, “করো মাপ। তোমার বাপ।”
৯।
তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে এক ভদ্রলোক তার গেঞ্জি গায়ে দিল উল্টো করে। সেটা লক্ষ্য না করেই রওনা হল বাইরে।
বাড়ির কাজের লোক দেখে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, হুজুর কি যাইতেছেন না আইতেছেন ?